ময়মনসিংহের ভালুকায় সাত বছরের এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মোহাম্মদ আলী নামে এক মাদরাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়েরের পর বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে আসামিকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে ভালুকা মডেল থানার পুলিশ।
এর আগে উপজেলার হবিরবাড়ীর কাশর চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত ‘মাদ্রাসাতুত তাকওয়া’ নামে একটি কওমি মাদরাসা থেকে তাকে আটক করে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী বাগেরহাটের কচুয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই মাদরাসার বাংলা বিভাগের শিক্ষক।
জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু ওই মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। গত ২ নভেম্বর সকালে ক্লাসের পড়া দিতে গেলে শিক্ষক মোহাম্মদ আলী ওই শিশুকে খারাপ অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করেন এবং মোবাইল ফোনে অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে অনৈতিক সম্পর্কের চেষ্টা করেন। পরে শিশুটি তার পরিবার কাছে গিয়ে বিস্তারিত বলে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা মোহাম্মদ আলীকে আটক করে পুলিশ সোপর্দ করেন। স্থানীয়দের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ঘটনার পর ওই মাদরাসায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক হালুয়া, তন্ত্রমন্ত্রের বই, জাদুকরী বই, শতাধিক গ্রাহকের মন্ত্র লেখা ছবি ও তাবিজসহ বিপুল পরিমাণ কবিরাজি সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে পুলিশ। মাদরাসায় নামমাত্র শিক্ষাদানের আড়ালে বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের এনে কবিরাজি চিকিৎসা ও বিভিন্ন অসামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়েরের পর বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে আসামিকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে ভালুকা মডেল থানার পুলিশ।
এর আগে উপজেলার হবিরবাড়ীর কাশর চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত ‘মাদ্রাসাতুত তাকওয়া’ নামে একটি কওমি মাদরাসা থেকে তাকে আটক করে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী বাগেরহাটের কচুয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই মাদরাসার বাংলা বিভাগের শিক্ষক।
জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু ওই মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। গত ২ নভেম্বর সকালে ক্লাসের পড়া দিতে গেলে শিক্ষক মোহাম্মদ আলী ওই শিশুকে খারাপ অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করেন এবং মোবাইল ফোনে অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে অনৈতিক সম্পর্কের চেষ্টা করেন। পরে শিশুটি তার পরিবার কাছে গিয়ে বিস্তারিত বলে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা মোহাম্মদ আলীকে আটক করে পুলিশ সোপর্দ করেন। স্থানীয়দের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ঘটনার পর ওই মাদরাসায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক হালুয়া, তন্ত্রমন্ত্রের বই, জাদুকরী বই, শতাধিক গ্রাহকের মন্ত্র লেখা ছবি ও তাবিজসহ বিপুল পরিমাণ কবিরাজি সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে পুলিশ। মাদরাসায় নামমাত্র শিক্ষাদানের আড়ালে বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের এনে কবিরাজি চিকিৎসা ও বিভিন্ন অসামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
অনলাইন ডেস্ক